বাস্তবায়ন উপায়গুলো আরো কার্যকর করা এবং টেকসই উন্নয়নেরজন্য বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব পুনর্জাগরিত করা
এসব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে রাষ্ট্রগুলো যা যা করতে সম্মত হয়েছে:
- ২০৩০ সালের মধ্যে সকল রাষ্ট্র যাতে এসব লক্ষ্য পূরণ করে তা নিশ্চিতকরা। বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রাগুলো জাতীয় পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত থাকতেহবে এবং প্রতিটি রাষ্ট্র তাদের নিজেদের জন্য কোন বিষয়গুলো সবচেয়েগুরুত্বপূর্ণ সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেবে।
- এসব লক্ষ্যমাত্রা পূরণে প্রতিটি রাষ্ট্র যাতে তার নিজস্ব সম্পদের সংস্থানকরে তা নিশ্চিত করা। এছাড়া স্বল্পোন্নত দেশগুলোর এসব লক্ষ্যমাত্রাপূরণে উন্নত দেশগুলোর সহায়তার অঙ্গীকার করা উচিত।
- স্ব-স্ব দেশের নীতি-সিদ্ধান্তগুলোকে সম্মান করা, তবে শর্ত হচ্ছেসেগুলোকে সঙ্গতিপূর্ণ হতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, তুমি প্রাকৃতিকসম্পদের সুরক্ষায় নিয়ম তৈরি এবং একইসাথে সেগুলো ব্যবহারেরওঅনুমোদন প্রদান – দুটো কাজ একসাথে করতে পারবে না।
- বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে যেসব ব্যক্তি ও সংস্থাঅনেকদিন ধরে কাজ করছে তাদেরকে সম্পৃক্ত করা। লক্ষ্যমাত্রাগুলোপূরণের কর্মযজ্ঞে এসব ব্যক্তি ও সংস্থাকে সম্পৃক্ত করা উচিত, কারণতাদের অভিজ্ঞতা ও সহায়তা এ কাজে আবশ্যক।
- রাষ্ট্রগুলো বৈশ্বিক লক্ষমাত্রাগুলো পূরণের পথে যাতে নিজেদেরঅগ্রগতি নিরূপণ করতে পারে সেজন্য ২০২০ সালের মধ্যে তাদের উপাত্ত ও